সাইকুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার :ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এডভোকেট একেএম কামাল হোসেন খান নিজের বিরুদ্ধে রয়েছে হত্যা চেষ্টা, নারী ও শিশু নির্যাতন, স্বাক্ষর জালিয়াতি ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার অভিযোগ। তার মধ্যে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং- ৪১) গত ১৭/০২/২০২৬ ইং তারিখে ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের এজহার ভুক্ত আসামি, গত ২৪/০৪/২০০৮ সালে (জিআর ২৪১/০৮) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় এজহার অভিযুক্ত আসামি, ১২/০৫/২০১৫ সালে (এফআইআর নং ৪০) মামলার ধারা ৩৭৯ পেনাল কোড ১৮৬০,
২১/০৮/২০২২ সালের দায়েরকৃত অভিযোগ, এফআইআর নং ৮৪/৮৬৭, একই দিনে পৃথক মামলায় ২১শে ডিসেম্বর ২০২২ সালে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে ১১/১০/২০২৩ সালে (জিআর ১০২৫) মামলায় অভিযুক্ত করে তাঁর চার্জশিট প্রদান করেছেন। এই মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ থেকে এ কে এম কামাল হোসেন খান আগাম জামিন ময়মনসিংহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন। বিতর্কিত ও নানা অভিযোগে অভিযুক্ত আইনজীবী একেএম কামাল হোসেন খানের বিরুদ্ধে পেনাল কোডের রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলীর বক্তব্য ছিল তাঁর বিরুদ্ধে ৩২৬/৩০৭ ধারার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। তিনি আসামী ও আইনজীবী এবং সমাজের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করে চলতে অক্ষম।
তার উগ্র ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ও নানাবিধ অগ্রহণযোগ্য কার্যকলাপ আইনজীবী সমাজ ও কোর্ট প্রাঙ্গণকে কুলুষিত করছে। তাঁর পিসি পিআরে মাদক, নারী শিশু, পেনাল কোডের একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়াও ইতোপূর্বে কোর্ট হাজতখানার ইনচার্জের স্বাক্ষর ও সীল জাল করার অভিযোগ রয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে বার কাউন্সিলে বিভাগীয় মামলা চলমান আছে। ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতিও তার সদস্যপদ স্থগিত করেছিল। অপরাধমূলক কার্যক্রম করাই তার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কামাল হোসেন খান জানান, নিউজ করলে মামলা করবো। আমি উকিল, কিভাবে সাংবাদিক সাইজ করতে হয় আমি জানি।